কাঁথি মহাকুমা হাসপাতালে দূর-দুরান্ত থেকে চিকিৎসার জন্য অনেকে আসেন। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে ধরতে হবে দালাল চক্রকে। দালালদের না ধরলে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়া যাবে না, এমনটাই অভিযোগ চিকিৎসা করাতে আসা পরিজনদের । সেই দালালদের মাথা হচ্ছে মামুদ আলী খান । সে স্থানীয় বাসিন্দা বলেই তার সঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে গোটা হাসপাতাল চত্বর নিজের রাজ কায়েম করেছে। হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে দিতে হয় টাকা। সর্বপল্লী ভর্তি থেকে ডিসচার্জ পর্যন্ত, এমনকি কারোর যদি ময়নাতদন্ত হয় তাতেও হাজার হাজার টাকা মামুদের পকেটে দিতে হবে। না দিলে ময়নাতদন্ত আটকে যায় বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। দীর্ঘদিন ধরে এই কাজ করে আসছে দাপুটে এই মামুদ। তাহলে মামুদের মাথায় কি কোন রাজনৈতিক নেতার হাত রয়েছে ? যদিও শাসকদলের নেতা সুরজিৎ নায়ক বলেন,আমারও হাসপাতালে দালাল রাজের অভিযোগ শুনেছি তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ শুনে মহাকুমা হাসপাতালে সুপার কে বলেছি, মামুদ যে দলেরই হোক তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে। কারণ তৃণমূল কোনদিন কাউকে এইসব কাজ করতে দেয় না। আমরাও চাই দালালচক্র বাদ দিয়ে মানুষ পরিষেবা পাক। যদি ওই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় মামুদ নিজের রাজত্ব জমিয়ে রেখেছে। আমরা মহাকুমা হাসপাতাল সুপার এর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। হাসপাতাল থেকে দালাল চক্র মুক্ত করার জন্য। স্থানীয় বাসিন্দারা মিলে গণস্বাক্ষর অভিযান করে হাসপাতাল সুপার এর কাছে ডেপুটেশনও দেওয়া হয়েছে। এর ব্যবস্থা যদি হাসপাতাল সুপার না করেন। তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনের নামবো। যদিও কাঁথি মহাকুমা হাসপাতাল সুপার বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি মামুদ আলী খানের বিরুদ্ধে। এবারে তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি