
ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ও হারাম খাওয়ার স্বাদ এখনো গেল না তৃণমূলীদের ?
আবার জুম্মার নামাজ পড়তে বাধা ।
জুম্মার নামাজ পড়তে দিলো না তৃণমূলের দুষ্কৃতিকারীরা
নিজের কেনা জায়গায় জুম্মার নামাজ পড়তে পারলেন না মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা।
আপনাদের জানিয়ে রাখি
এই মুহূর্তে সবথেকে বড় খবর
প্রতি শুক্রবার মুসলিম সম্প্রদায়দের জুম্মার নামাজ হয়।
সেই জুম্মার নামাজ পড়তে বাধা দিল তৃণমূলের মদত পুষ্ট পুলিশ বলে অভিযোগ।
কেনা জায়গায় জুম্মার নামাজ পড়তে দিলো না মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেদের ,তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ।

ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মান্দারমনি কোস্টাল থানার ডেরা গ্রামে।
সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা দুপুরে জুম্মার নামাজ পড়েন। কিন্তু মান্দারমনি কোস্টাল থানার ডেরা গ্রামের বাসিন্দা তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা মীর মোমরেজ আলী ও তার ভাই মির ইয়ার আলির অনুগামীরা মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেদের জুম্মার নামাজ পড়তে পুলিশের সহযোগিতায় বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এমনকি মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনা ঘটতেই ঘটনাস্থলে স্থানীয় বিজেপির লোকেরা পৌঁছায়। এবং এলাকার স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বরা পুলিশ প্রশাসনকে বলেন, এখানে এত বড় একটা নির্বাচন হয়ে গেল কোন ঝগড়াঝাঁটি হয়নি। আর মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা তো তাদের নিজস্ব জায়গায় জুম্মার নামাজ পড়তে যাচ্ছিল। আপনারা কেন বাধা দিলেন ? এই কথা বলতেই এলাকার স্থানীয় বিজেপির নেতৃত্বদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনা ঘটতেই এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা রাস্তায় বসে পথ অবরোধ শুরু করে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে মান্দারমনি চাউলখোলা রাজ্য সড়ক। তারপর স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বদের অনুরোধে তারা পথ অবরোধ করে নেয়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে । মীর মোমরেজ আলী ও তার ভাই মির ইয়ার আলি মুসলমান হয়ে কি করে জুম্মার নামাজ পড়তে বাধা দিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের কে ? উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
যদিও এ বিষয়ে মীর মোমরেজ বাবুকে ফোন করা হলে সুইচ অফ দেখায় । তারপর মির ইয়ার আলী বাবুকে ফোন করা হলে তিনি কোন প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি বলে ফোন কেটে দেন ।
তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা কি বলছেন শুনুন
যদিও এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এই এলাকার মসজিদের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি গন্ডগোল চলছে। স্থানীয় সূত্র জানা যায় ডেরা গ্রামের বাসিন্দা শেখ সিরাজ প্রায় ২৫ বছর আগে একটি জায়গা কেনেন এলাকায় মসজিদ করার জন্য। তার পাশের জায়গা কয়েক বছর পর মির মমরেজ বাবু কিনে নেন। মমরেজ বাবু জায়গা কেনার পর প্রাচীর দিয়ে ঘিরে ফেলেন। তারপর ফাঁকা জায়গায় নজর পড়ে মোমরেজ বাবুদের । এলাকায় তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা। তাই তিনি প্রভাব খাটিয়ে ওখানে মসজিদ আর করতে দেবেন না বলে ,মসজিদের জায়গা দখল করার চেষ্টা করেন। রুখে দাঁড়ান শেখ সিরাজ সহ মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা। এই নিয়ে কয়েক বছর আগে সিরাজ বাবুর বাড়িতে বোমা চার্জ করে মমরেজ বাবুর লোকেরা বলে অভিযোগ। তখন সিরাজ বাবু বলেন আমাকে প্রাণে মেরে ফেলে দিলেও কোনমতে আমি মসজিদের জায়গা কাউকে দেবো না। এই নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। তৃণমূল সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। এলাকায় ক্ষমতা ধরে রাখতে মীর মমরেজ বাবু ও তার ভাই মীর ইয়ার আলী এলাকায় যেন নতুন করে আবার সন্ত্রাস ও রাহাজানি শুরু করেছে বলে অভিযোগ।
কবে বন্ধ হবে এদের সন্ত্রাস ও রাহাজানি ?
আদুই কি বন্ধ হবে ?
না,
আবার এরা ডিগবাজি খেয়ে শাসক দল বিজেপিতে প্রবেশ করে তাদের সন্ত্রাস ও রাহাজানি ধরে রাখতে পারবে ! প্রশ্ন তুলছে এলাকাবাসীরা।
এখন খবর মান্নার মনি।

