কখনও কাটমানি বিতর্ক, কখনও দলীয় গোষ্ঠীকোন্দল,

কখনও কাটমানি বিতর্ক, কখনও দলীয় গোষ্ঠীকোন্দল, আবার কখনও পদ নিয়ে টানাপোড়েন রাজ্যের রাজনীতিতে শাসকদলের অন্দরকলহ মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে আসে। আর এবার সেই অন্দর দ্বন্দ্ব যেন একেবারে চরমে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে। দলীয় পদকে কেন্দ্র করে টাকার অভিযোগ, আর সেই অভিযোগ ঘিরেই প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের দুই নেতার হাতাহাতি মারামারির ভাইরাল ভিডিও এবং অডিও

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, খেজুরির তৃণমূল পার্টি অফিসের ভেতরেই দলের দুই নেতা শংকর দুলাল পাত্র এবং নন্দন দাস একে অপরের কলার ধরে টানাটানি করছেন। মুহূর্তের মধ্যেই তর্কাতর্কি গড়ায় ধাক্কাধাক্কি এবং ঘুঁষোঘুঁষিতে।

আবার একটি অডিও ভাইরাল হয় ।যেখানে টাকা ফেরতের প্রসঙ্গ আসে ।

 

বার বার অভিযোগ উঠেছে, দলীয় পদ পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই পদ না পাওয়ায় টাকা ফেরত চাইতেই শুরু হয় উত্তেজনা। আর সেই উত্তেজনাই শেষ পর্যন্ত পৌঁছে যায় প্রকাশ্য মারামারিতে।

ভাইরাল হওয়া অডিও এবং ভিডিও তে পিযুষ পণ্ডার নামও উঠে এসেছে । এই বিষয়ে কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পীযূষ পন্ডাকে প্রতিক্রিয়া চাইলে তিনি জানান ধস্তাধস্তি করা ২ তৃণমূল নেতাকে তিনি চেনেন না ।
ভোটের মুখে পার্টি অফিসের ভেতরেই এই মারামারি এখন শাসকদলের সংগঠনের ভিত নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিরোধীদের কটাক্ষ,যে দলে পদ পাওয়া নিয়েই টাকার অভিযোগ ওঠে, সেখানে কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হওয়াটা আর আশ্চর্যের কী!তবে ভাইরাল হওয়া ভিডিওর শেষাংশে ওই দুই তৃণমূল নেতার বক্তব্যে শোনা যায়, তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব মিটে গিয়েছে বলেই দাবি করা হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে , ভিডিও সামনে আসার পরেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘মিটমাটের’ এই বার্তা সামনে আনা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, ভোটের আগে খেজুরিতে তৃণমূলের অন্দরের এই সংঘাত এখন নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।ব্যুরো রিপোর্ট এখন খবর ।